বিনোদন
movies banned in India ভারতে নিষিদ্ধ কিন্তু বিদেশে সুপারহিট

movies banned in India বা নিষিদ্ধ সিনেমা কাকে বলে? এ বিষয়ে আলোচনা করলে কিছু কথা অবশ্যম্ভাবী এসে যায়। এ কথা ঠিক যে কোভিডের কারণে বর্তমানে চলচ্চিত্র শিল্প ধুঁকছে। তবে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ভারতে প্রতি বছর কিন্তু সিনেমা তৈরি হয় অসংখ্য। ভারত যেহেতু বহু ভাষাভাষী দেশ তাই এদেশে একাধিক ভাষায় ছবি বানানো হয়। শুধু হিন্দি ছবি ধরলে, বলিউ়ডে বছরে খুব কম করে হাজার ছবি তৈরি হয়। তার মধ্যে কিন্তু বহু সিনেমা মুক্তি পায় না। তার পিছনে যদিও অনেক কারণ থাকে। যৌনতা, হিংসা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরুদ্ধাচরণ ইত্যাদি বহু কারণে অনেক ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
Movies Banned in India ছবিগুলির তালিকা বেশ দীর্ঘ আজ পর্যন্ত বহু ছবি ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছে একাধিক কারণে
মূলত সেন্সর বোর্ডের চোখরাঙানিতে ভারতীয় দর্শকরা ছবিগুলি দেখতে পান না। বাধ্য হয়ে প্রযোজককে ছবি বিদেশে দেখানোর ব্যবস্থা করতে হয়। আশ্চর্যজনক ভাবে এই গোত্রের বহু ছবি বিদেশে চূড়ান্ত সফল হয়েছে। যে কারণএ ছবিগুলিকে বাণিজ্যিক দিক থেকেও সফল বলে ধরা হয়। তার সাথে সাথে ছবিগুলি কিন্তু অকাতরে সমালোচকদেরও প্রশংসা পেয়েছে।
এই বিষয়ে আমরা আপাতত তিনটি ছবি নিয়ে আলোচনা করব।
বাংলা সিনেমা জগতে এক কিংবদন্তী অভিনেতা ছিলেন রবি ঘোষ। আদালতের চাকরি ছেড়ে এসেছিলেন অভিনয়ের জগতে…
রাজ অমিত কুমার পরিচালিত Unfreedom প্রথম ২০১৪ সালে কেরল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়। ছবিতে অভিনয় করেছেন ভিক্টর ব্যানার্জী, আদিল হুসেনের মত অভিনেতারা। সে বছরই ছবিটি মুক্তি পায় আমেরিকাতে। ভারতে মুক্তি পায়নি কারণ সেন্সর বোর্ড ছবিটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ছবিতে নারী সমকামিতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামি প্রাধান্য পেয়েছে। পরবর্তী কালে অবশ্য ভারতীয় দর্শকদের দেখাতে Unfreedom একাধিক ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তি পায়। ছবি পরিচালনা ছাড়াও Unfreedom প্রযোজনা করেছিলেন রাজ অমিত কুমার। এমন কি, ছবির কাহিনীও তাঁরই লেখা।
যৌনতা হিংসা ইত্যাদি নানা কারণে ছবি নিষিদ্ধ হয় তবে ডিজিটাল মাধ্যমে এবং বিদেশে দর্শক এসব ছবি গ্রহণ করে
পরিচালক অমিতাভ চক্রবর্তীর ছবি Cosmic Sex ৷ ২০১৩ সালে ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল Osian’s Cinefan Festival of Asian and Arab Cinema-তে। ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও পেয়েছিলেন ঋ সেন। প্রযোজনা-পরিবেশনার দায়িত্বে ছিলেন পুতুল মাহমুদ। ছবি তৈরি হয়েছে ফকিরি দেহতত্ত্ব দর্শনের প্রেক্ষিতে। সামনে থেকে নগ্নতা বা ফ্রন্টাল ন্যুডিটি দেখানোর জন্য বহু সিনেমাপ্রেমী এবং সিনেমাব্যক্তিত্ব ছবির সমালোচনা করেছিলেন। সেন্সর বোর্ড ‘এ’ চিহ্নিত করে। পরবর্তীকালে নন্দন কর্তৃপক্ষ ছবির প্রদর্শন বাতিল করে।
পরিচালক মীরা নায়ারের ছবি Kama Sutra : A Tale of Love। ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসে সাড়া ফেলে দেওয়া এক ছবি। দর্শক ও সমালোচদের মধ্যে ছবিটির চর্চা এখনও জারি। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯৬ সালে। ভারতে ছবিটি মুক্তি পায়নি। মুক্তির দশ বছর পরে ২০১৬ সালে ইউটিউবে ছবিটি আপলোড করা হয়। ৯১ মিলিয়ন দর্শক ইউটিউবে ছবিটির ট্রেলার দেখেছেন। সর্বাধিক ট্রেলার দেখার নিরিখে ছবিটি এখনও পর্যন্ত তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইন্দিরা বর্মা এবং সরিতা চৌধুরী। ইংরেজি ভার্সানে রেখাও অভিনয় করেছেন। একটি চরিত্রে জোয়া আখতারকেও দেখা যায়।
এই বিষয়ে আমরা ক্রমে ক্রমে আরও আলোচনা করব…
বিনোদন
মোনালি বলেছিলেন তিনি বিবাহিত কিন্তু সত্যি কি তাই

জন্ম ০৩ নভেম্বর ১৯৮৫
কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ ভারত
পিতা শক্তি ঠাকুর
মাতা মিনতি ঠাকুর
দিদি মেহুলি ঠাকুর
জীবন সঙ্গী মাইখ রিখটার (অসমর্থিত)
সাল ২০২০। একটি জনপ্রিয় সর্ব ভারতীয় সংবাদপত্রের পাতা। সে পাতায় ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। ২০২০ সালে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারে মোনালি স্বীকার করেছিলেন যে তিনি বিবাহিত। তার তিন বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে তিনি নাকি বিয়ে করেছেন। পাত্র এক সুইডিশ রেস্তোরাঁ মালিক। নাম মাইক রিখটার।
২০১৭ থেকে ২০২০। তিন বছর মোনালি তাঁর বিয়ে গোপন করেছিলেন। না কোন সংবাদ মাধ্যম। না কোন সমাজ মাধ্যম। কোথাও প্রকাশিত হয়নি মোনালির বিয়ের খবর। বিয়ের আংটি কখনও ভুলবশত ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ছবিতে দেখা যেত। তার থেকে অনেকে মোনালির বিয়ের খবর জানতে উৎসুক থাকতেন। কিন্তু মাইক এবং মোনালি দুজনেই অত্যন্ত সফল ভাবে তাঁদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন।
আরও পড়ুন: টিভি থেকে সিনেমা এবং রাজনীতি চিরঞ্জিত সবেতে সফল
এবার আসা যাক আর একটি জনপ্রিয় বাংলা সংবাদপত্রের প্রসঙ্গে। তারিখ ১ আগস্ট ২০১৭। সেখানেও ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। শুরুতে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু মোনালি বিয়ের খবর অস্বীকার করেছেন। বলেছিলেন, ‘বিয়ে নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কি আছে? বিয়ে হলে জানাবেন।’ এমন কি বয়ফ্রেণ্ডের নাম পর্যন্ত বলতে চাননি। কেন এত গোপনীয়তা, সেটা মোনানিই বলতে পারবেন।
মোনালি শক্তি ঠাকুরের ছোট মেয়ে। জন সমক্ষে প্রথম আবির্ভাব গায়িকা রূপে। অভিনয় তার পরে। বাংলা টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘আলোকিত এক ইন্দু’তে প্রথম অভিনয়। মুখ্য চরিত্র ইন্দুবালার ভূমিকায়। এরপর অভিনয় করেছেন আরও দু-একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে। এক দিন রাজা সেন প্রস্তাব দিলেন তাঁর ছবিতে অভিনয়ের জন্য। ছবির নাম ‘কৃষ্ণকান্তের উইল।’ মোনালিকে, রাজা সেন ভ্রমরের চরিত্রে ভেবেছিলেন।
বিনোদন
টিভি থেকে সিনেমা এবং রাজনীতি চিরঞ্জিত সবেতে সফল

দীপক ওরফে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বাংলা চলচ্চিত্রের এক সফল অভিনেতা এবং পরিচালক। তিনি প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট শায়লা চক্রবর্তীর ছেলে। এছাড়াও তিনি একজন রাজনীতিবিদ এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য।
চলচ্চিত্র তালিকা
সাল | চলচ্চিত্র/ ধারাবাহিক | চরিত্র | মন্তব্য/পুরস্কার |
১৯৮১ | সোনায় সোহাগা | অভিনেতা | |
১৯৮৯ | মর্যাদা | পরিচালক | |
১৯৯৪ | ফিরিয়ে দাও | পরিচালক | |
১৯৯৫ | কেঁচো খুঁড়তে কেউটে | অভিনেতা এবং পরিচালক | |
১৯৯৫ | সংসার সংগ্রাম | পরিচালক | |
১৯৯৬ | ভয় | পরিচালক | |
২০০০ | বস্তির মেয়ে রাধা | পরিচালক | |
২০০২ | মানুষ অমানুষ | পরিচালক | |
২০১৪ | চতুষ্কোণ | অভিনেতা | |
২০১৬ | ষড়রিপু | অভিনেতা | |
২০১৬ | কিরীটী রায় | কিরীটী রায় | অভিনেতা (নাম ভূমিকা) |
আরও পড়ুন: পদ্মিনীর নাচ দেখে রাজ কাপুর তাঁর ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন
বিনোদন
নাচ দেখে রাজ কাপুর বলেছিলেন আমার ছবিতে অভিনয় করবে

ছোটবেলায় নাচতে ভালো লাগত। আশাজি সম্পর্কে মামি। মামির গান খুব পছন্দ। মামির গানে নাচতে দারুণ লাগে। নাচের মুদ্রা কিন্তু নিজস্ব। সে মুদ্রা কেউ শেখায়নি। গান আশাজির, স্টেপ নিজের। কোন এক অনুষ্ঠানে, পদ্মিনী এভাবেই নাচছিলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজ কাপুর। দেখছিলেন পদ্মিনীর নাচ। নাচ দেখে রাজ কাপুর বলেছিলেন আমার ছবিতে অভিনয় করবে। পদ্মিনীর তখন কি এমন বয়স। বলিষ্ঠ স্বরে বলেছিলেন, আমি তো অভিনয় করি। এই আত্মবিশ্বাস রাজের ভালো লেগেছিল। পদ্মিনী মনে করেন, সম্ভবত এই কারণে রাজ কাপুর তাঁকে ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’ ছবিতে নিয়েছিলেন।
পিতা পন্ধরীনাথ কোলহাপুরী। মা নিরুপমা কোলহাপুরী। তিন বোনের মধ্যে পদ্মিনী কোলহাপুরী দ্বিতীয়। বড় বোন শিভাঙ্গী কোলহাপুরীকে বিয়ে করেছেন শক্তি কাপুর। ছোট বোন তেজস্বিনী কোলহাপুরীও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
পদ্মিনীর ঠাকুরদা পণ্ডিত কৃষ্ণ রাও কোলহাপুরী এবং লতাজি, আশাজির পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর ‘বলবন্ত নাটক আকাদেমি’তে এক সাথে কাজ করেছেন। পদ্মিনীর মা নিরুপমা (পন্ধরীনাথের স্ত্রী) ছিলেন পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকরের সৎ বোন। সেই সূত্রে, পদ্মিনী আবার লতাজি এবং আশাজির ভাগ্নী।
আরও পড়ুন: ঋষিকেশ বহিরাগত হয়েও বলিউডে জায়গা করে নিয়েছিলেন
পদ্মিনীর মা নিরুপমা ছিলেন কোঙ্কণী ব্রাহ্মণ সন্তান। বসবাস ছিল কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে। বাবার তরফে, পদ্মিনীর পূর্ব পুরুষের বসবাস ছিল মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে। মূলত পিতৃ সূত্রে, পদ্মিনীর নামের সাথে যুক্ত হয়েছে কোলহাপুর।
মধ্যবিত্ত মহারাষ্ট্রীয় কোঙ্কণী পরিবারের সন্তান, পদ্মিনীর ছোট বেলা কেটেছে প্রবল দারিদ্রের মধ্যে। পদ্মিনী দেখেছে, সংসার চালাতে বাবা কেমন হিমশিম খেতেন। আয় বাড়াতে, পন্ধরীনাথ গান শেখাতে শুরু করেছিলেন। তাতে অবশ্য সংসারের হাল ফিরেছিল। তবে তা সেরকম কিছু নয়।