Connect with us

সঙ্গীত

লতাজির প্রথম পুজোর বাংলা গানের জন্ম রেস্তোরাঁয়

Published

on

জন্ম: ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯২৯

ইন্দোর, (বর্তমান মধ্যপ্রদেশ), ভারত

মৃত্যু: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২

মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ভারত

হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ঠিক করলেন মহাদেবি ভার্মার লেখা ছোট গল্প ‘চিনি ফেরিওয়ালা’ নিয়ে ছবি করবেন। ‘হেমন্ত বেলা প্রোডাকশন’ ব্যানারে ছবির নাম ঠিক হল ‘নীল আকাশের নীচে’। নায়ক উত্তমকুমার এবং পরিচালক ভূপেন হাজারিকা। পরে অবশ্য পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন মৃণাল সেন এবং উত্তমকুমারের বদলে নায়ক হয়েছিলেন কালী বন্দ্যোপাধ্যায়। মহরতে ক্ল্যাপস্টিক দিতে লতা মঙ্গেশকর কলকাতায় এলেন। লতাজিকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে অনেকের মধ্যে হাজির হয়েছিলেন এইচ এম ভি-র পি কে সেন এবং গীতিকার পবিত্র মিত্র। তখন এইচ এম ভি-র সর্বময় কর্তা ছিলেন এই পি কে সেন আর গীতিকার পবিত্র মিত্র কোম্পানিতে বাংলা গানের সব কিছু দেখাশোনা করতেন। সেই সময় এইচ এম ভি-র তরফে বাংলা গান নিয়ে যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব থাকত এই দুজনের ওপর।

লতা মঙ্গেশকর জীবনের প্রথম পুজোর বাংলা গানের জন্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেছেছিলেন

দমদম এয়ারপোর্টে সকলের অগোচরে গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে লতা মঙ্গেশকর বললেন, ‘আমার জীবনের প্রথম পুজোর বাংলা গান রেকর্ড করব।’ সঙ্গীত সম্রাজ্ঞীর সঙ্গে দেখা করতে বহু গুণীজন উপস্থিত হয়েছিলেন। লতাজি প্রত্যেককেই বলছিলেন, ‘কাল মহরত, পরশু ফিরে যাব।’ টানটান কর্ম ব্যস্ততা অথচ পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছেন, গান রেকর্ডিং করবেন। কিন্তু কি করে সেটা সম্ভব? রেকর্ডিঙের সময় কোথায়? পরদিন মহরত অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে পুলকবাবুকে ডাকলেন। বললেন, ‘সবাই জানে আমি হোটেলে আছি। আমি কিন্তু আছি ভূপেনদার টালিগঞ্জের গল্ফ ক্লাবের ফ্ল্যাটে। আপনি কাল সকালে চলে আসুন।’ এতক্ষণে পুলকবাবুর দুশ্চিন্তা কাটল। আগের দিন লতাজির প্রস্তাব শুনে বাঙালি গীতিকার বাবু তো প্রায় ভেবে বসেছিলেন যে সেটা নেহাত কথার কথা। বিখ্যাতরা তো ওরকম কথা বলেই থাকেন।

আরও পড়ুনঃ পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিলেন

টালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে পুলকবাবুকে দেখে লতা মঙ্গেশকর হাসতে হাসতে বলে ফেললেন, ‘জানেন তো এইচ এম ভি-র পি কে সেন কি বলেছিল?’ পুলকবাবু কিচ্ছু বুঝতে পারছেন না। তখন লতাজি খোলসা করে বললেন, ‘উনি তো রেকর্ডিঙে পবিত্রবাবুর কথা বলছিলেন। আমি আর ভুপেনদা দুজনেই বলেছি আপনার নাম।’ পুলকবাবু বিষয়টা বুঝলেন কিন্তু তাঁর খটকা তখন অন্য জায়গায়। লতাজিকে জানতে চাইলেন, ‘কিন্তু রেকর্ড করবেন কখন? আপনি তো আজই ফিরে যাবেন।’ লতাজি তখন আবার হাসতে হাসতে বললেন, ‘না, না আমি যাচ্ছি না। বুঝতেই পারছেন আমি থাকছি জানতে পারলে কলকাতার সব মিউজিক ডাইরেক্টর আর গীতিকার আমাকে গানের জন্য ধরবেন। কাকে ফেরাব বলুন! আপনার চিন্তা নেই। আমি রেকর্ডিং সেরে ফিরব।’ পুলকবাবু নিশ্চিন্ত হলেন।

লতাজির প্রথম পুজোর বাংলা গান ‘রঙ্গিলা বাঁশিতে কে ডাকে’

এবার ভূপেন হাজারিকার কারণে পুলকবাবু পড়লেন বিপাকে। ভূপেনবাবু বললেন, ‘আমার কিন্তু সময় হবে না। তাছাড়া গানও তো তৈরি নেই।’ পুলকবাবু বললেন, ‘একটা গান তো আছে – মনে রেখো ওগো আধো চাঁদ’। কিছুক্ষণ থেমে ভূপেনবাবু বললেন, ‘আপনার লেখা ওই গানে সুর করেছিলাম, কিন্তু আমার তো একটুও মনে নেই। এখন যে বসব, তারই বা উপায় কোথায়? হারমোনিয়াম বিগড়েছে। সারাতে দিয়েছি, এখনও দিয়ে যায়নি।’ অগত্যা ভূপেনবাবুকে নিয়ে পুলকবাবু পৌঁছলেন তাঁর দিদির ভবানীপুরের বাড়িতে। ওখানে ‘মরশুমী ক্লাব’ নামে একটা ক্লাব ছিল। ভূপেনবাবু সে ক্লাবের সদস্য ছিলেন। ক্লাবে উত্তমকুমার, কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, সুধীরলাল চক্রবর্তী প্রমুখ সবাই আসতেন।

ভূপেনবাবুকে নিয়ে আসার উদ্দেশ্য ছিল ক্লাবের হারমোনিয়ামে নতুন করে ‘মনে রেখো ওগো আধো চাঁদ’ গানটাতে সুর করানো। ভূপেনবাবু কিছুক্ষণ সুর নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে হঠাৎ বলে উঠলেন, ‘অসম্ভব। আর বসতে পারব না। আমার জরুরী অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। আমাকে বেরোতে হবে।’ পুলকবাবু কি আর করবেন? ভূপেনবাবুর সাথে তিনিও বেরিয়ে পড়লেন। দুজনে পৌঁছলেন চৌরঙ্গিতে। পুলকবাবু কিছুক্ষণ এদিক-ওদিক ঘুরে হাজির হলেন চাংহুয়া রেস্তোরাঁতে। শুনেছিলেন ভূপেনবাবু ওখানে আসতে পারেন। কপাল ভাল। ভূপেনবাবুকে পেয়েও গেলেন।

আসলে পুলকবাবুর ওখানে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল ভূপেন হাজারিকার একটা অসমিয়া গানের সুরের ওপরে একটা বাংলা গান লেখা। পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল নতুন গান তিনি তখনই লিখতে পারবেন এবং লতাজি গাইলে সে গান ভালই হবে। ভূপেনবাবু রাজি হলেন। এবার সমস্যা হল কাগজের। পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পকেটে কলম আছে, দরকার শুধু একটা কাগজ, যার ওপর তিনি গান লিখবেন। শেষে রেস্তোরাঁর খাওয়ার বিলের ওপর লেখা হল গান – রঙ্গিলা বাঁশিতে কে ডাকে। ভূপেন হাজারিকার সুরে পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় লতা মঙ্গেশকর গাইলেন তাঁর জীবনের প্রথম পুজোর বাংলা গান।

Continue Reading

বিনোদন

মোনালি বলেছিলেন তিনি বিবাহিত কিন্তু সত্যি কি তাই

Published

on

জন্ম ০৩ নভেম্বর ১৯৮৫

কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ ভারত

পিতা শক্তি ঠাকুর

মাতা মিনতি ঠাকুর

দিদি মেহুলি ঠাকুর

জীবন সঙ্গী মাইখ রিখটার (অসমর্থিত)

সাল ২০২০। একটি জনপ্রিয় সর্ব ভারতীয় সংবাদপত্রের পাতা। সে পাতায় ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। ২০২০ সালে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারে মোনালি স্বীকার করেছিলেন যে তিনি বিবাহিত। তার তিন বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে তিনি নাকি বিয়ে করেছেন। পাত্র এক সুইডিশ রেস্তোরাঁ মালিক। নাম মাইক রিখটার।

২০১৭ থেকে ২০২০। তিন বছর মোনালি তাঁর বিয়ে গোপন করেছিলেন। না কোন সংবাদ মাধ্যম। না কোন সমাজ মাধ্যম। কোথাও প্রকাশিত হয়নি মোনালির বিয়ের খবর। বিয়ের আংটি কখনও ভুলবশত ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ছবিতে দেখা যেত। তার থেকে অনেকে মোনালির বিয়ের খবর জানতে উৎসুক থাকতেন। কিন্তু মাইক এবং মোনালি দুজনেই অত্যন্ত সফল ভাবে তাঁদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন।

আরও পড়ুন: টিভি থেকে সিনেমা এবং রাজনীতি চিরঞ্জিত সবেতে সফল

এবার আসা যাক আর একটি জনপ্রিয় বাংলা সংবাদপত্রের প্রসঙ্গে। তারিখ ১ আগস্ট ২০১৭। সেখানেও ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। শুরুতে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু মোনালি বিয়ের খবর অস্বীকার করেছেন। বলেছিলেন, ‘বিয়ে নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কি আছে? বিয়ে হলে জানাবেন।’ এমন কি বয়ফ্রেণ্ডের নাম পর্যন্ত বলতে চাননি। কেন এত গোপনীয়তা, সেটা মোনানিই বলতে পারবেন।

মোনালি শক্তি ঠাকুরের ছোট মেয়ে। জন সমক্ষে প্রথম আবির্ভাব গায়িকা রূপে। অভিনয় তার পরে। বাংলা টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘আলোকিত এক ইন্দু’তে প্রথম অভিনয়। মুখ্য চরিত্র ইন্দুবালার ভূমিকায়।  এরপর অভিনয় করেছেন আরও দু-একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে। এক দিন রাজা সেন প্রস্তাব দিলেন তাঁর ছবিতে অভিনয়ের জন্য। ছবির নাম ‘কৃষ্ণকান্তের উইল।’ মোনালিকে, রাজা সেন ভ্রমরের চরিত্রে ভেবেছিলেন।

Continue Reading

সঙ্গীত

লতাজিকে সরিয়ে বছর দুয়েক বলিউডের শীর্ষে ছিলেন

Published

on

শুভ জন্মদিন! আশা ভোঁসলে!

পড়ুন: লতা মঙ্গেশকরের প্রথম বাংলা গান ‘রঙ্গিলা বাঁশিতে কে ডাকে’ লেখা হয়েছিল একটি রেস্তোরাঁয়

Continue Reading

সঙ্গীত

সলিল চৌধুরী গান ধরলেন তা শুনে কিশোরকুমার মাটিতে বসে পড়লেন

Published

on

সলিল চৌধুরী

সলিল চৌধুরী থাকতেন মুম্বাইয়ের পেডার রোডে। নতুন ছবির জন্য গান বেঁধেছেন। একদিন খুব সকালে সলিল চৌধুরীর পেডার রোডের ফ্ল্যাটে হাজির হলেন কিশোর কুমার। সুরকারের পাশে সোফায় বসে গম্ভীর মুখে মন দিয়ে গান শুনছিলেন। গানের শেষ লাইন শুনে কিশোর হঠাৎ ধপাস করে মাটিতে বসে পড়লেন। ‘কি হল’ বলে আতঙ্কে চিৎকার করে উঠলেন সলিল। কিশোর মুখ নীচু করে মাটিতে বসে, কিছুতেই মুখ তুলছেন না। বেশ কিছুক্ষণ পরে, হাত জড় করে বললেন, সলিল যেন তাঁকে মাফ করে দেন। সলিলের সমান উচ্চতায় বসে, তিনি এ গান শিখতে পারবেন না। কি অসাধারণ সুর করেছেন সলিল! এরপর অবশ্য সেই গান কিশোর মাটিতে বসেই শিখেছিলেন। ছবির নাম ‘অন্নদাতা’ আর গানের প্রথম লাইন ছিল ‘গুজর যায়ে দিন দিন দিন/ হর পল গিন গিন গিন/ কিসিকি হায় ইয়াদোঁ মে’।

সলিল চৌধুরী কেবল স্বকীয়তার জোরে তামাম সঙ্গীত জগতে নিজস্ব জায়গা তৈরি করেছিলেন

সঙ্গীতের ওপরে প্রশিক্ষণ ছিল না, অথচ স্বকীয়তার জোরে সঙ্গীত জগতে নিজস্ব জায়গা তৈরি করেছিলেন। সলিল চৌধুরীর নিজের লেখা ‘রিকশওয়ালা’-র গল্প নিয়ে বিমল রায় ঠিক করলেন ছবি করবেন। ছবির নাম ‘দো বিঘা জমিন’। হৃষীকেশ মুখোপাধ্যায়, বন্ধু বিমল রায়কে বললেন, বিমলদা, ছবির কাহিনি, চিত্রনাট্য যখন সলিলের, তখন সুর করার দায়িত্ব ওকেই দিন! মুম্বাইয়ের সঙ্গীত জগতে সলিল চৌধুরীর উত্থানের শুরু হয়েছিল এই ছবি থেকে। 

আরও পড়ুনঃ বাংলা গান হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রসঙ্গীত তিনটি এক সুরে বাঁধা

এরপর ‘মধুমতী’। ছবিতে গানের রেকর্ডিং ও পিকচারাইজেশন, দুই কাজ শেষ। ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিঙে শচীন দেব বর্মন এগিয়ে এসে, বিমল রায়কে ডেকে বললেন, সলিলের এই গানগুলান ইতিহাস হইব, দেইখ্যা রাখেন। শচীন কর্তার কথায় বিমল রায় আশ্বস্ত হলেন। তাঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলেছিল। ঋত্বিক ঘটকের গল্প নিয়ে, দিলীপকুমার-বৈজয়ন্তীমালার অভিনয়ে সমৃদ্ধ, ‘মধুমতী’র গান তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। এরপর আর তাঁকে আর থামতে হয়নি। রেডিও সিলোনে, আমিন সায়ানি অনুষ্ঠান করতেন, ‘বিনাকা গীতমালা’। ওই অনুষ্ঠানে কখনও কোন ছবির সব গান বাজানো হত না। মধুমতী ইতিহাস গড়েছিল। শ্রোতাদের দাবিতে, পরপর সাত দিন ছবির সাতটি গান বেজেছিল।

রাহুলকে নিয়ে শচীনকর্তার ক্ষোভ ছিল বাবার সুর তার মনে ধরে না সে যে সলিলের অন্ধ ভক্ত

সলিল চৌধুরীকে নিয়ে গল্পের শেষ নেই। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে কফি হাউসে বসে, এক প্রকার তর্কের খাতিরে চিরকুটে একটি গান লিখে ফেলেছিলেন। লতা মঙ্গেশকরের গলায় ‘পা মা গা রে সা/তার চোখের জটিল ভাষা…’ গানটি শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। পঞ্চমকে নিয়ে শচীনকর্তার খুব আফসোস ছিল। ‘দো বিঘা জমিন’-এর রেকর্ডিং চলছে। স্টুডিয়োয় এসেছেন শচীনকর্তা। তাঁকে দেখে সলিল চৌধুরী বেজায় খুশি। হঠাৎ দুম করে কর্তা একটি মন্তব্য করে বসলেন। বললেন, ‘‘জানস, আমার সুর মনে ধরে না আমার পোলাডার। ও পাগল তর সুরে। বার বার শুইনতে থাকে তর গান। আমারে ও মানে না। পারিস তো এট্টু বোঝাস পঞ্চমরে।’’ ক্ষোভ ছিল কর্তার। কি আর করা যায়? পঞ্চম যে সলিলের অন্ধ ভক্ত।

বলতেন, ‘গ্রামার না-জানলে ভাল মিউজিক কম্পোজ করা যায় না।’ আরও বলতেন, ‘সঙ্গীতের ব্যাকরণ যে জানে, সেই পারে ভাঙতে-গড়তে।’ হিন্দি-বাংলা-সহ ভারতের চোদ্দোটি ভাষায় গান বেঁধেছিলেন। দক্ষিণ ভারতে সবাই তাঁকে ‘মিউজিক গড’ বলত। গান আর জীবন, সলিল চৌধুরীর মধ্যে কোথাও যে মিলেমিশে থাকত, তাঁর জীবদ্দশায় অনেকেই তা বুঝত না। স্টুডিয়ো যাওয়ার পথে জুতো পালিশ করাতেন। পালিশওলার ছেলে পাণ্ডুরং বাবার পাশে বসে ভাঙা ম্যান্ডোলিন বাজাত। ছেলেটির আগ্রহ দেখে তাকে নতুন ম্যান্ডোলিন কিনে দিয়েছিলেন। যত্ন করে ম্যান্ডোলিন বাজানো শিখিয়ে নিজের মিউজিক ইউনিটের সদস্যও করে নিয়েছিলেন। ‘পরখ’ ছবিতে লতাজীর গাওয়া ‘মিলা হ্যায় কিসিকা ঝুমকা’ গানে পান্ডুরং ম্যান্ডোলিন বাজিয়েছিল। ছেলেটি অকালে মারা যায়।

Continue Reading