বিনোদন
এবার রিনাদি সরাসরি আঙুল তুলেছেন ফেডারেশনের দিকে

সংঘাত চরমে। একের পর এক অভিযোগ উঠছে ফেডারেশনের দিকে। প্রায় সব অভিযোগের তীর অবশ্য ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস। দ্বন্দ্বের তালিকা ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে পরিচালক এবং প্রযোজকরাও ফেডারেশনের প্রতি চরম অসন্তুষ্ট। এবার রিনাদি সরাসরি আঙুল তুলেছেন ফেডারেশনের দিকে।
সিনে টেকনিশিয়ানস ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস। মূলত তাঁর পরিচয়, তিনি মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই। স্বরূপের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ। সাম্প্রতিক হেয়ারড্রেসার গিল্ডের সদস্য এক কেশসজ্জা শিল্পীর আত্মহত্যার চেষ্টা, বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলেছে। এর অনেক আগে থেকে টালিগঞ্জের একাধিক পরিচালক, ফেডারেশনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন অভিনেত্রী-পরিচালক অপর্ণা সেন।
কেশসজ্জা শিল্পী কি অভিযোগ করেছেন
কেশসজ্জা শিল্পীর অভিযোগ, তাঁকে অপরাধী সাব্যস্ত করে কর্মবিরতিতে পাঠানো হয়েছিল। সংসার চালাতে হিমশিম, তাঁকে ধার-দেনা করতে হচ্ছিল। একই অভিযোগ করেছেন আরও অনেক কেশসজ্জা শিল্পী। এর উত্তরে ফেডারেশনের তরফে জানানো হয়, কাউকে কোনও কর্মবিরতিতে পাঠানো হয়নি। বিতর্ক এখানে শেষ হয়ে যায়নি। গিল্ড থেকে পাঠানো কর্মবিরতির চিঠি গত ২২শে সেপ্টেম্বর প্রকাশ্যে এসেছে। হেয়ারড্রেসার গিল্ডের বহু সদস্যের দাবি, গিল্ডের পরিচালন সমিতি যেন গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
আরও পড়ুন: হৃষিকেশ বহিরাগত হয়েও বলিউডে জায়গা করে নিয়েছিলেন
কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় সহ আরও অনেক পরিচালক এই দাবির সমর্থনে, সমাজ মাধ্যমে পোস্ট দেন। সেই পোস্টের রেশ ধরে, অপর্ণা সেন প্রশ্ন তুলেছেন, ‘স্বরূপ বিশ্বাস কে? তিনি কি সিনেমা বা টেলিভিশনের টেকনিশিয়ান? কেবল মাত্র শাসক দলের সদস্য হওয়ার সুবাদে কি ফেডারেশনের সভাপতি হওয়া যায়?’
ফেডারেশন সভাপতি কি রিনাদির প্রশ্নের জবাব দেবেন
লোক মুখে প্রচারিত, স্বরূপের নাকি সহকারী পরিচালকের কার্ড আছে। এই বিষয়েও রিনাদি প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানেন, কম পক্ষে দুটি ছবিতে কাজ করলে তবেই সহকারী পরিচালকের কার্ড পাওয়া যায়। তাঁর প্রশ্ন, ‘স্বরূপ কোন দুটি ছবিতে কাজ করেছেন?’ কার্ড পাওয়ার পরে, তেরো মাসের মধ্যে কোনও ছবিতে সহকারী পরিচালকের কাজ না করলে, এই কার্ড বাতিল হয়ে যায়। অপর্ণা সেন প্রশ্ন করেছেন, ‘ফেডারেশন সভাপতি কি এই শর্ত পালন করেছেন?’
রিনাদি আরও বলেছেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর্স গিল্ড নিশ্চয় জানে, স্বরূপ বিশ্বাস কোন কোন ছবিতে সহকারী পরিচালক ছিলেন। পরিচালক সংগঠনের সভাপতি, সুব্রত সেন বলেছেন, ডিরেক্টরস গিল্ড, রিনাদির তোলা অভিযোগের সঙ্গে একমত। তবে এর আগে, কেউ এভাবে সরাসরি প্রশ্ন তোলেনি। এই প্রসঙ্গে লক্ষ্যনীয়, একাধিক নামী পরিচালক আবার রিনাদির দিকেও আঙুল তুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, তবে কি রিনাদি এত দিন ঘুমিয়ে ছিলেন? তবে এত সব কিছু ঘটে যাওয়ার পরে, সবাই কিন্তু তাকিয়ে আছে স্বরূপ বিশ্বাসের দিকে। রিনাদির অভিযোগের উত্তরে তিনি কি বলেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
বিনোদন
মোনালি বলেছিলেন তিনি বিবাহিত কিন্তু সত্যি কি তাই

জন্ম ০৩ নভেম্বর ১৯৮৫
কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ ভারত
পিতা শক্তি ঠাকুর
মাতা মিনতি ঠাকুর
দিদি মেহুলি ঠাকুর
জীবন সঙ্গী মাইখ রিখটার (অসমর্থিত)
সাল ২০২০। একটি জনপ্রিয় সর্ব ভারতীয় সংবাদপত্রের পাতা। সে পাতায় ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। ২০২০ সালে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারে মোনালি স্বীকার করেছিলেন যে তিনি বিবাহিত। তার তিন বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে তিনি নাকি বিয়ে করেছেন। পাত্র এক সুইডিশ রেস্তোরাঁ মালিক। নাম মাইক রিখটার।
২০১৭ থেকে ২০২০। তিন বছর মোনালি তাঁর বিয়ে গোপন করেছিলেন। না কোন সংবাদ মাধ্যম। না কোন সমাজ মাধ্যম। কোথাও প্রকাশিত হয়নি মোনালির বিয়ের খবর। বিয়ের আংটি কখনও ভুলবশত ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ছবিতে দেখা যেত। তার থেকে অনেকে মোনালির বিয়ের খবর জানতে উৎসুক থাকতেন। কিন্তু মাইক এবং মোনালি দুজনেই অত্যন্ত সফল ভাবে তাঁদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন।
আরও পড়ুন: টিভি থেকে সিনেমা এবং রাজনীতি চিরঞ্জিত সবেতে সফল
এবার আসা যাক আর একটি জনপ্রিয় বাংলা সংবাদপত্রের প্রসঙ্গে। তারিখ ১ আগস্ট ২০১৭। সেখানেও ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। শুরুতে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু মোনালি বিয়ের খবর অস্বীকার করেছেন। বলেছিলেন, ‘বিয়ে নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কি আছে? বিয়ে হলে জানাবেন।’ এমন কি বয়ফ্রেণ্ডের নাম পর্যন্ত বলতে চাননি। কেন এত গোপনীয়তা, সেটা মোনানিই বলতে পারবেন।
মোনালি শক্তি ঠাকুরের ছোট মেয়ে। জন সমক্ষে প্রথম আবির্ভাব গায়িকা রূপে। অভিনয় তার পরে। বাংলা টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘আলোকিত এক ইন্দু’তে প্রথম অভিনয়। মুখ্য চরিত্র ইন্দুবালার ভূমিকায়। এরপর অভিনয় করেছেন আরও দু-একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে। এক দিন রাজা সেন প্রস্তাব দিলেন তাঁর ছবিতে অভিনয়ের জন্য। ছবির নাম ‘কৃষ্ণকান্তের উইল।’ মোনালিকে, রাজা সেন ভ্রমরের চরিত্রে ভেবেছিলেন।
বিনোদন
টিভি থেকে সিনেমা এবং রাজনীতি চিরঞ্জিত সবেতে সফল

দীপক ওরফে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বাংলা চলচ্চিত্রের এক সফল অভিনেতা এবং পরিচালক। তিনি প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট শায়লা চক্রবর্তীর ছেলে। এছাড়াও তিনি একজন রাজনীতিবিদ এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য।
চলচ্চিত্র তালিকা
সাল | চলচ্চিত্র/ ধারাবাহিক | চরিত্র | মন্তব্য/পুরস্কার |
১৯৮১ | সোনায় সোহাগা | অভিনেতা | |
১৯৮৯ | মর্যাদা | পরিচালক | |
১৯৯৪ | ফিরিয়ে দাও | পরিচালক | |
১৯৯৫ | কেঁচো খুঁড়তে কেউটে | অভিনেতা এবং পরিচালক | |
১৯৯৫ | সংসার সংগ্রাম | পরিচালক | |
১৯৯৬ | ভয় | পরিচালক | |
২০০০ | বস্তির মেয়ে রাধা | পরিচালক | |
২০০২ | মানুষ অমানুষ | পরিচালক | |
২০১৪ | চতুষ্কোণ | অভিনেতা | |
২০১৬ | ষড়রিপু | অভিনেতা | |
২০১৬ | কিরীটী রায় | কিরীটী রায় | অভিনেতা (নাম ভূমিকা) |
আরও পড়ুন: পদ্মিনীর নাচ দেখে রাজ কাপুর তাঁর ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন
বিনোদন
নাচ দেখে রাজ কাপুর বলেছিলেন আমার ছবিতে অভিনয় করবে

ছোটবেলায় নাচতে ভালো লাগত। আশাজি সম্পর্কে মামি। মামির গান খুব পছন্দ। মামির গানে নাচতে দারুণ লাগে। নাচের মুদ্রা কিন্তু নিজস্ব। সে মুদ্রা কেউ শেখায়নি। গান আশাজির, স্টেপ নিজের। কোন এক অনুষ্ঠানে, পদ্মিনী এভাবেই নাচছিলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজ কাপুর। দেখছিলেন পদ্মিনীর নাচ। নাচ দেখে রাজ কাপুর বলেছিলেন আমার ছবিতে অভিনয় করবে। পদ্মিনীর তখন কি এমন বয়স। বলিষ্ঠ স্বরে বলেছিলেন, আমি তো অভিনয় করি। এই আত্মবিশ্বাস রাজের ভালো লেগেছিল। পদ্মিনী মনে করেন, সম্ভবত এই কারণে রাজ কাপুর তাঁকে ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’ ছবিতে নিয়েছিলেন।
পিতা পন্ধরীনাথ কোলহাপুরী। মা নিরুপমা কোলহাপুরী। তিন বোনের মধ্যে পদ্মিনী কোলহাপুরী দ্বিতীয়। বড় বোন শিভাঙ্গী কোলহাপুরীকে বিয়ে করেছেন শক্তি কাপুর। ছোট বোন তেজস্বিনী কোলহাপুরীও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
পদ্মিনীর ঠাকুরদা পণ্ডিত কৃষ্ণ রাও কোলহাপুরী এবং লতাজি, আশাজির পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর ‘বলবন্ত নাটক আকাদেমি’তে এক সাথে কাজ করেছেন। পদ্মিনীর মা নিরুপমা (পন্ধরীনাথের স্ত্রী) ছিলেন পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকরের সৎ বোন। সেই সূত্রে, পদ্মিনী আবার লতাজি এবং আশাজির ভাগ্নী।
আরও পড়ুন: ঋষিকেশ বহিরাগত হয়েও বলিউডে জায়গা করে নিয়েছিলেন
পদ্মিনীর মা নিরুপমা ছিলেন কোঙ্কণী ব্রাহ্মণ সন্তান। বসবাস ছিল কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে। বাবার তরফে, পদ্মিনীর পূর্ব পুরুষের বসবাস ছিল মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে। মূলত পিতৃ সূত্রে, পদ্মিনীর নামের সাথে যুক্ত হয়েছে কোলহাপুর।
মধ্যবিত্ত মহারাষ্ট্রীয় কোঙ্কণী পরিবারের সন্তান, পদ্মিনীর ছোট বেলা কেটেছে প্রবল দারিদ্রের মধ্যে। পদ্মিনী দেখেছে, সংসার চালাতে বাবা কেমন হিমশিম খেতেন। আয় বাড়াতে, পন্ধরীনাথ গান শেখাতে শুরু করেছিলেন। তাতে অবশ্য সংসারের হাল ফিরেছিল। তবে তা সেরকম কিছু নয়।