Connect with us

বিনোদন

মহানায়ক উত্তম কুমার বাংলা ও বাঙালির সব থেকে বড় আইকন

Published

on

মহানায়ক উত্তম কুমার বাংলা

মহানায়ক উত্তম কুমার বাংলা ও বাঙালির সব থেকে বড় আইকন এ নিয়ে কোন দ্বিমত থাকতে পারে না। মৃত্যুর পরে কেটেছে চল্লিশ বছর। নায়ক-এর আকর্ষণ একটুও কমেনি। লকডাউন পিরিয়ডে এক জনপ্রিয় বাংলা ডিজিটাল প্লাটফর্মের পরিসংখ্যান বলছেউত্তম কুমারের ছবির দর্শকসংখ্যা বেড়েছে পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি। টেলিভিশন-টলিউড মিলিয়ে এই মুহূর্তে যারা অভিনয় করছেনতাদের অধিকাংশের জন্মের আগে মহানায়ক প্রয়াত হয়েছেন। অথচ তাদের ছাপিয়ে মহানায়কের ছবি এখনও সমান তালে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

মহানায়ক উত্তম কুমার বাংলা ও বাঙালির এত বড় আইকন সম্ভবত আর কখনও আসবে না

লোকজনের মুখে টলিউডের এক নতুন তারকার কথা শুনে সত্যজিৎ রায় সাড়ে চুয়াত্তর দেখতে গিয়েছিলেন। উত্তমকে তাঁর মনে ধরে। পরপর তিনটে উত্তমের ছবি দেখার পরে মনে হয়েছিল অন্য সব অভিনেতাদের থেকে ছেলেটি সম্পূর্ণ আলাদা। তারপর কেটেছে দশ থেকে বারো বছর। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘নায়কের গল্প আমি উত্তমকে দেখে ভাবি

পোর্ট ট্রাস্টে চাকরি করতে করতে আহিরীটোলায় গ্রুপ থিয়েটারে অভিনয় করছেন। বনফুলের ছোট ভাই, অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় তখন নিউ থিয়েটার্সের মাইনে করা পরিচালক। উত্তম কুমার অডিশন দিতে গেলেন। কপালে শিকে ছিঁড়ল না। নিউ থিয়েটার্সের দিলীপ সরকার বলেছিলেনঅভিনয়ের প্রতি অদম্য আগ্রহের কারণে ছবি নিয়ে কোন বাছবিছার করতেন না। এক বার তো বিয়েবাড়ির শুটিং দৃশ্যে বরযাত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করতেপরের দিন ধুতি-পাঞ্জাবি পরে শুটিঙে হাজির হয়েছিলেন।

১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ একের পর এক ছবি মুখ থুবড়ে পড়েছে। তখনকার সফল অভিনেতারা প্রযোজক-পরিচালকদের বলতেন, ‘কেন ওকে নিচ্ছেন! টাকাটা জলে ফেলবেন কেন?’ সেসব কথা কানে যেত উত্তমের। কাউকে কিছু বলতেন না। পরবর্তী কালে যখন তিনি চূড়ান্ত সফল, তখন তাদের সঙ্গে দিব্যি হেসে কথা বলতেন।

উত্তম কুমারের ধুতির নকশা করে দিয়েছিলেন ছবি বিশ্বাস

উত্তমকুমারের ধাক্কাপাড় ধুতির নকশা করে দিয়েছিলেন ছবি বিশ্বাস যা পরে উত্তমকুমার ধুতি নামে পরিচিত হয়। রাজেশ খান্না বলেছিলেন, ধুতি ও কুর্তাকে ওঁর মত ব্যবহার করতে পারেননি কেউ! উত্তমকুমার ভারতীয় সিনেমার অ্যাম্বাসাডর। অমিতাভ বচ্চন বলেছিলেন, ওঁর সঙ্গে এক ফ্রেমে কোন ছবিতে থাকা রীতিমত সম্মানের ব্যাপার।

উত্তমের বোনের বান্ধবী ছিলেন গৌরীদেবী। অসম্ভব সুন্দরী এবং বড়লোকের মেয়ে। উত্তম ছিলেন নিতান্ত মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। গৌরীদেবীকে ভালবাসার কথা জানাতেই অনেক সময় লেগেছিল। বিয়ের পর দিব্যি ছিলেন দুজনে। সুপ্রিয়া দেবীকে নিয়ে ময়রা স্ট্রীটের বাড়িতে থাকতে শুরু করেছিলেন। তবে ভবানীপুরের বাড়িতে মাঝে মধ্যে চলে আসতেন। সম্পর্ক ভাল না থাকলেও স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা ছিল অটুট। গৌরীদেবীর প্রত্যেক জন্মদিনে উপহার দিতেন গয়না।

একবার পারিবারিক অশান্তি চলছে। একদিন সুচিত্রা সেনকে প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা রমা, তোমার সঙ্গে যদি বিয়ে হত। উত্তরে সুচিত্রা বলেছিলেন, বিয়েটা একদিনও টিঁকত না। ভালমন্দ, গসিপ থেকে শুরু করে বাস্তব ঘটনা, সব কিছুর মধ্যে বেঁচে আছেন মহানায়ক। তবে একটা কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, বাঙালির জীবনে এত বড় আইকন সম্ভবত আর কখনও আসবে না!

Continue Reading

বিনোদন

মোনালি বলেছিলেন তিনি বিবাহিত কিন্তু সত্যি কি তাই

Published

on

জন্ম ০৩ নভেম্বর ১৯৮৫

কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ ভারত

পিতা শক্তি ঠাকুর

মাতা মিনতি ঠাকুর

দিদি মেহুলি ঠাকুর

জীবন সঙ্গী মাইখ রিখটার (অসমর্থিত)

সাল ২০২০। একটি জনপ্রিয় সর্ব ভারতীয় সংবাদপত্রের পাতা। সে পাতায় ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। ২০২০ সালে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারে মোনালি স্বীকার করেছিলেন যে তিনি বিবাহিত। তার তিন বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে তিনি নাকি বিয়ে করেছেন। পাত্র এক সুইডিশ রেস্তোরাঁ মালিক। নাম মাইক রিখটার।

২০১৭ থেকে ২০২০। তিন বছর মোনালি তাঁর বিয়ে গোপন করেছিলেন। না কোন সংবাদ মাধ্যম। না কোন সমাজ মাধ্যম। কোথাও প্রকাশিত হয়নি মোনালির বিয়ের খবর। বিয়ের আংটি কখনও ভুলবশত ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ছবিতে দেখা যেত। তার থেকে অনেকে মোনালির বিয়ের খবর জানতে উৎসুক থাকতেন। কিন্তু মাইক এবং মোনালি দুজনেই অত্যন্ত সফল ভাবে তাঁদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন।

আরও পড়ুন: টিভি থেকে সিনেমা এবং রাজনীতি চিরঞ্জিত সবেতে সফল

এবার আসা যাক আর একটি জনপ্রিয় বাংলা সংবাদপত্রের প্রসঙ্গে। তারিখ ১ আগস্ট ২০১৭। সেখানেও ছাপা হয়েছিল মোনালির একটি সাক্ষাৎকার। শুরুতে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু মোনালি বিয়ের খবর অস্বীকার করেছেন। বলেছিলেন, ‘বিয়ে নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কি আছে? বিয়ে হলে জানাবেন।’ এমন কি বয়ফ্রেণ্ডের নাম পর্যন্ত বলতে চাননি। কেন এত গোপনীয়তা, সেটা মোনানিই বলতে পারবেন।

মোনালি শক্তি ঠাকুরের ছোট মেয়ে। জন সমক্ষে প্রথম আবির্ভাব গায়িকা রূপে। অভিনয় তার পরে। বাংলা টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘আলোকিত এক ইন্দু’তে প্রথম অভিনয়। মুখ্য চরিত্র ইন্দুবালার ভূমিকায়।  এরপর অভিনয় করেছেন আরও দু-একটি টেলিভিশন ধারাবাহিকে। এক দিন রাজা সেন প্রস্তাব দিলেন তাঁর ছবিতে অভিনয়ের জন্য। ছবির নাম ‘কৃষ্ণকান্তের উইল।’ মোনালিকে, রাজা সেন ভ্রমরের চরিত্রে ভেবেছিলেন।

Continue Reading

বিনোদন

টিভি থেকে সিনেমা এবং রাজনীতি চিরঞ্জিত সবেতে সফল

Published

on

দীপক ওরফে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বাংলা চলচ্চিত্রের এক সফল অভিনেতা এবং পরিচালক। তিনি প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট শায়লা চক্রবর্তীর ছেলে। এছাড়াও তিনি একজন রাজনীতিবিদ এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য। 

চলচ্চিত্র তালিকা

সালচলচ্চিত্র/ ধারাবাহিকচরিত্রমন্তব্য/পুরস্কার
১৯৮১সোনায় সোহাগা অভিনেতা
১৯৮৯মর্যাদা পরিচালক
১৯৯৪ফিরিয়ে দাও পরিচালক
১৯৯৫কেঁচো খুঁড়তে কেউটে অভিনেতা এবং পরিচালক
১৯৯৫সংসার সংগ্রাম পরিচালক
১৯৯৬ভয় পরিচালক
২০০০বস্তির মেয়ে রাধা পরিচালক
২০০২মানুষ অমানুষ পরিচালক
২০১৪চতুষ্কোণ অভিনেতা
২০১৬ষড়রিপু অভিনেতা
২০১৬কিরীটী রায়কিরীটী রায়অভিনেতা (নাম ভূমিকা)
* সংশোধন/সংযোজন/পরিমার্জন চলছে

আরও পড়ুন: পদ্মিনীর নাচ দেখে রাজ কাপুর তাঁর ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন

Continue Reading

বিনোদন

নাচ দেখে রাজ কাপুর বলেছিলেন আমার ছবিতে অভিনয় করবে

Published

on

ছোটবেলায় নাচতে ভালো লাগত। আশাজি সম্পর্কে মামি। মামির গান খুব পছন্দ। মামির গানে নাচতে দারুণ লাগে। নাচের মুদ্রা কিন্তু নিজস্ব। সে মুদ্রা কেউ শেখায়নি। গান আশাজির, স্টেপ নিজের। কোন এক অনুষ্ঠানে, পদ্মিনী এভাবেই নাচছিলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজ কাপুর। দেখছিলেন পদ্মিনীর নাচ। নাচ দেখে রাজ কাপুর বলেছিলেন আমার ছবিতে অভিনয় করবে। পদ্মিনীর তখন কি এমন বয়স। বলিষ্ঠ স্বরে বলেছিলেন, আমি তো অভিনয় করি। এই আত্মবিশ্বাস রাজের ভালো লেগেছিল। পদ্মিনী মনে করেন, সম্ভবত এই কারণে রাজ কাপুর তাঁকে ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’ ছবিতে নিয়েছিলেন। 

পিতা পন্ধরীনাথ কোলহাপুরী। মা নিরুপমা কোলহাপুরী। তিন বোনের মধ্যে পদ্মিনী কোলহাপুরী দ্বিতীয়। বড় বোন শিভাঙ্গী কোলহাপুরীকে বিয়ে করেছেন শক্তি কাপুর। ছোট বোন তেজস্বিনী কোলহাপুরীও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

পদ্মিনীর ঠাকুরদা পণ্ডিত কৃষ্ণ রাও কোলহাপুরী এবং লতাজি, আশাজির পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর ‘বলবন্ত নাটক আকাদেমি’তে এক সাথে কাজ করেছেন। পদ্মিনীর মা নিরুপমা (পন্ধরীনাথের স্ত্রী) ছিলেন পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকরের সৎ বোন। সেই সূত্রে, পদ্মিনী আবার লতাজি এবং আশাজির ভাগ্নী।

আরও পড়ুন: ঋষিকেশ বহিরাগত হয়েও বলিউডে জায়গা করে নিয়েছিলেন

পদ্মিনীর মা নিরুপমা ছিলেন কোঙ্কণী ব্রাহ্মণ সন্তান। বসবাস ছিল কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে। বাবার তরফে, পদ্মিনীর পূর্ব পুরুষের বসবাস ছিল মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে। মূলত পিতৃ সূত্রে, পদ্মিনীর নামের সাথে যুক্ত হয়েছে কোলহাপুর।

মধ্যবিত্ত মহারাষ্ট্রীয় কোঙ্কণী পরিবারের সন্তান, পদ্মিনীর ছোট বেলা কেটেছে প্রবল দারিদ্রের মধ্যে। পদ্মিনী দেখেছে, সংসার চালাতে বাবা কেমন হিমশিম খেতেন। আয় বাড়াতে, পন্ধরীনাথ গান শেখাতে শুরু করেছিলেন। তাতে অবশ্য সংসারের হাল ফিরেছিল। তবে তা সেরকম কিছু নয়।

Continue Reading